Sustain Humanity


Friday, July 22, 2016

আমরা যদি একতাবদ্ধ, সংগঠিত না হই,নাগরিকত্বের রাস্তা খোলা হলেও আমাদের নাগরিত্ব হচ্ছেনা ,যেমন 2003 সালের আগে হয়নি। এখনো আইন হয়নি,কার্যকরি হতে হতে অনেকি দেরি আছে।রাজনৈতিক দলগুলি কিন্তু কখনো উদ্বাস্তুদের পাশে দাঁড়ায়নি,মতুয়া মহাসঙ্ঘ ও নিখিল ভারত উদ্বাস্তু সমন্বয় সংগঠন সহ বিভিন্ন উদ্বাস্তু সংগঠনের প্রচেষ্টা ও আন্দোলনের ফলে এখন এই আইন বদল হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে।এই সারতত্ব মনে

আমরা যদি একতাবদ্ধ, সংগঠিত না হই,নাগরিকত্বের রাস্তা খোলা হলেও আমাদের নাগরিত্ব হচ্ছেনা ,যেমন 2003 সালের আগে হয়নি।

এখনো আইন হয়নি,কার্যকরি হতে হতে অনেকি দেরি আছে।রাজনৈতিক দলগুলি কিন্তু কখনো উদ্বাস্তুদের পাশে দাঁড়ায়নি,মতুয়া মহাসঙ্ঘ ও নিখিল ভারত উদ্বাস্তু সমন্বয় সংগঠন সহ বিভিন্ন উদ্বাস্তু সংগঠনের প্রচেষ্টা ও আন্দোলনের ফলে এখন এই আইন বদল হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে।এই সারতত্ব মনে রেখেি রাজনৈতিক বিকল্প অনুসন্ধানের বদলে উদ্বাস্ত সংহতি ও সংগঠনই বাঁচার একমাত্র রাস্তা।


সব চেয়ে বেদনার কারণ,উল্লসিত কিছু উদ্বাস্তু নেতাদের দাবি যে তাঁদের একক প্রচেষ্টাতেই নাগরিকত্ব মিলতে চলেছে। নিজেদের দাবি জোরালো করতে তারা আবার তাবড় তাবড় রাজনৈতিক নেতাদের কৃতিত্ব দিতে পিছপা হচ্ছেন নাসেই নেতারা কিন্তু সারা ভারতে কোথায় কত বাঙালি উদ্বাস্তু আছেন ,কিভাবে আছেন,সে ব্যাপারে তারা কিছুই জানেন না।ভিন রাজ্যে যাদের বসত,তাঁদের কথা না হয় বাদ দিলাম,বাঙ্গলায় খালে বিলে রেলধারে পোকা মকড়ের মত যে কোটি কোটি উদ্বাস্তুরা বাংলায় বসবাস করছেন,তাঁদেরও খোঁজ খবর তাঁরা রাখেন না।


মনে রাখা দরকার,পান্জাবে কোনো উদ্বাস্তু সমস্যা আর নেই।কিন্ত বাংলাদেশে এখনো আমাদের স্বজন,রক্তমাংসের অংশ দু কোটি উনচল্লিশ লক্ষ মানুষের বসবাস এবং উগ্র ইসলামী সন্ত্রাসিরা তাঁদের বিরুদ্ধে লাগাতার অবাধ হত্যালীলা,অবাধ ধর্ষণ,অবাধ বেদখলী অভিযান চালেয়ে যাচ্ছে।বাংলাদেশ সরকার তাঁদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ এবং অদুরভবিষ্যতে তাঁরা এপারে চলে আসতে বাধ্য হবেন।এই যদি পরিস্থিতি হয়,তাহলে নাগরিকত্ব আইন আবার বদল হতে থাকবে।যথাস্মভব তাডা়তাড়ি সব উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্বের ব্যবস্থা করার দায়িত্ব একতাবদ্ধ সংযত দক্ষ উদ্বাস্তু সংগঠনকেই নিতে হবে।


বাস্তবের নিরিখে আমাদের বূঝতেই হবে যে বাংলাদেশে যতদিন না মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হচ্ছে দু কোটি হিন্দু ছাড়াও বহু শরণার্থীদের ভারতে প্রবেশের সম্ভাবনা থাকছে এবং এখন কেন্দ্র সরকার উদ্বাস্তুদের পক্ষে আইন প্রণযন করলেও ভবিষ্যতে ক্ষমতা বদল হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে আগত উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব ও পুনর্বাসন নিয়ে আবার নূতন আইন হতে পারে,পুরোনো আইন বাতিল হতে পারে।


যাদের দেশ কাল পরিস্থিতি সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই,যারা সবাইকে এক সঙ্গে নিয়ে চলতে পারেন না বা যাদের সাংগঠনিক সংহতির বিবেক নেই,যাদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও পালাবদলের মোকাবিলা করার দক্ষতা নেই,সুযোগ সন্ধানী সেই নেতৃত্ব অত্যন্ত আত্মঘাতী এবং আমরা যদি একতাবদ্ধ,সংগঠিত না হই,নাগরিকত্বের রাস্তা খোলা হলেও আমাদের নাগরিত্ব হচ্ছেনা ,যেমন 2003 সালের আগে হয়নি।হলেও সে নাগরিকত্ব যখন তখন আবার খারিজ হতে পারে।যদি না আমরা এক্ষনি একতাবদ্ধ না হই।



পলাশ বিশ্বাস

2003 সালে নাগরিকত্ব সংশোধন বিল পেশ হল৤সেই আইন সর্বদলীয় সমর্থনে আইন বলে রাতারাতি পূর্ব বাংলা থেকে আগত ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা উদ্বাস্তুদের রাতারাতি বিদেশি ঘুসপেঠিয়া সাজিয়ে দিল।


উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল ঔ আইনের আওতায় কিন্তু পান্জাব থেকে আগত শরণার্থীরা পড়েননি।কারণ পূর্ব বাংলার তুলনায় অনেক বিশি রক্তনদী পেরিয়ে এলেও পান্জাবিরা অত্যন্ত সঙঘবদ্ধ ছিনলেন।ভিটেহারা হওযার ক্ষতিপূরণ তাঁরা প্রত্যেকেই পেয়েছেন এবং তাঁদের পুনর্বাসনও ভারতভাগের দু এক বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ হয়েছিল।সীমানা ডিঙ্গোতে না ডিঙ্গোতে তাঁরা ভারতের নাগরিকত্ব অর্জন করে ছিলেন।অথচ বাঙালিরা আজও যেমন আলাদা আলাদা বচ্ছিন্ন দ্বীপ হয়ে আছেন কাঁকড়ার মত একে অপরকে টেনে নামাবার প্রতিযোগিতায় আত্মধ্বংসে নিমগ্ন,সেদিনও তাঁরা তাই ছিলেন।


ফলে ভারতভাগের পাক্কা ছাপান্ন বছর পর যখন এই আইন প্রণীত হল তখন দেখা গেল,1947 র পর পর 1956 সাল পর্যন্ত যারা এসেছেন ,তাঁদেরও নাগরিকত্ব অর্জন করা হয়নি।


এই প্রসঙ্গে যিনি এই নাগরিকত্ব সংশোধন বিল ভারতের সংসদে পেশ করেছিেন,তাঁর বক্তব্য অত্যন্তু গুরুত্বপূর্ণ।গুয়াহাটিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নে এই বৈমাতৃক আচরণের জন্যতত্কালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী লাল কৃষ্ণ আডওয়ানী বলেছিলেন,বাংলার বেয়াল্লিশ জন সাংসদ সহ বাঙালি নেতারা একবারও বাঙালি উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব নিয়ে সরব হয় নি।


বাস্তবক্ষেত্রে উদ্বাস্তুরা ধরেই নিয়েছিল,পুনর্বাসনের সঙ্গেই সঙ্গেই তাঁদের নাগরিকতত্ব আপনাআপনি অর্জিত জন্মগত অধিকারশিক্ষিত চাকুরীজীবী বাঙালিদের মধ্যে অনেকেরই ধারণা নেই যে তাঁরা 2003 সালের আইনবলে বেনাগরিক এবং বিদেশী।


2003 সাল থেকে 2016 সাল,ঘঙ্গায় পদ্মায় অনেক জল গড়িয়েছে এব ইতিমধ্যে 1971 সালে বাংলাদেশ বিপর্যয়ে লক্ষ লক্ষ নূতন উদ্বাস্তুরা ভারতে এসেছেন এবং বালার নেতৃবৃন্দ বা উদ্বাস্তু সংগঠন পুনর্বাসনের আন্দোলন করলেও নাগরিকত্ব নিয়ে উচ্চ বাচ্য করেননি।তার ফলে ভারতভাগের বলি সমস্ত হিন্দু বাঙালিরাই আজ বেনাগরিক।


মোদ্দাকথা আইন সপক্ষে থাকলেও কিছু আসে যায় না,সেই আইনের অধিকার অর্জন করতে হলে সংঘবদ্ধ হতে হয়।


তবু মন্দের ভালো,উদ্বাস্তুদের টনক শেষ প্রযন্ত নড়ল এবং 2003 সাল থেকে বিভিন্ন উদ্বাস্তু সংগঠন এবং অবশ্যই মতুয়া মহাসঙঘ টানা নাগরিকত্ব আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছে।


প্রথমদিকে মতুয়া মহাসঙ্ঘের নেতৃত্বে এই আন্দোলন চলছিল এবং 2011 র বিধানসভা নির্বাচনের আগে পর্যন্ত তাঁরা এই আন্দোলনের সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে অনবরত কাজ করেছেন।সেই মতুয়া আন্দোলন এখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে অস্তিত্ব হারা।ইতিমদ্যে নাগপুরে সারা দেশের উদ্বাস্তু প্রতিনিধিরা একটি গণ কনভেনসানে নিখিল ভারত উদ্বাস্তু সমন্বয় সংগঠন তৈরি করে যা একন সারা ভারতে ডাল পালা ছড়িয়েছে এবং সবচেয়ে বড় কথা, রাজধানী নয়া দিল্লী থেকে কোলকাতা,গুয়াহাটি সহ প্রাযসব রাজ্যেই নাগরিকত্বের দাবি লাগাতার তুলেছে।তাছাডা় বিভিন্ন উদ্বাস্তু সংগঠনও বিচ্ছিন্ন ভাবে আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছে।


ফলে যারা এই আইন প্রণয়ন করেছিল তাঁরাই আবার এই আইন সংশোধিত করার কথা বলছেন এবং একটি বিল সংসদে পেশ হয়েছে,যার ফলে বৈধ ডকুমেন্টনা থাকলেও নাগরিকত্বের রাস্তা খোলা থাকছে।


এখনো আইন হয়নি,কার্যকরি হতে হতে অনেকি দেরি আছে।রাজনৈতিক দলগুলি কিন্তু কখনো উদ্বাস্তুদের পাশে দাঁড়ায়নি,মতুয়া মহাসঙ্ঘ ও নিখিল ভারত উদ্বাস্তু সমন্বয় সংগঠন সহ বিভিন্ন উদ্বাস্তু সংগঠনের প্রচেষ্টা ও আন্দোলনের ফলে এখন এই আইন বদল হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে।এই সারতত্ব মনে রেখেি রাজনৈতিক বিকল্প অনুসন্ধানের বদলে উদ্বাস্ত সংহতি ও সংগঠনই বাঁচার একমাত্র রাস্তা।


উল্টোদিকে উদ্বাস্তুরা আজও একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছে এবং এখনো ভারতের অন্যান্য ভাষার মানুষদের মত আমরা নিজেদের স্বার্থে দল মত নির্বিশেষ একতাবদ্ধ হতে পারছি না।


সব চেয়ে বেদনার কারণ,উল্লসিত কিছু উদ্বাস্তু নেতাদের দাবি যে তাঁদের একক প্রচেষ্টাতেই নাগরিকত্ব মিলতে চলেছে।


নিজেদের দাবি জোরালো করতে তারা আবার তাবড় তাবড় রাজনৈতিক নেতাদের কৃতিত্ব দিতে পিছপা হচ্ছেন নাসেই নেতারা কিন্তু সারা ভারতে কোথায় কত বাঙালি উদ্বাস্তু আছেন ,কিভাবে আছেন,সে ব্যাপারে তারা কিছুই জানেন না।


ভিন রাজ্যে যাদের বসত,তাঁদের কথা না হয় বাদ দিলাম,বাঙ্গলায় খালে বিলে রেলধারে পোকা মকড়ের মত যে কোটি কোটি উদ্বাস্তুরা বাংলায় বসবাস করছেন,তাঁদেরও খোঁজ খবর তাঁরা রাখেন না।


মেনে নিলাম মোদী সরকার কথা রাখলেন নাগিরকত্বে আর আইনি বাধা থাকল না, তাহলেও আমরা সেই 2003 সালের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছি।সেদিনও নাগরিকত্ব অর্জনের সাংগঠনিক ক্ষমতা বা উদ্বাস্তুগদের সার্বিক সংহতির অভাব ছিল.আজ সেই অভাব অনেক বেশি প্রকট।নেতাদের বক্তব্যই অশনি সংকেত।


আইন বদলালেও কি সব রাজ্যে সব উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব দেওয়ানের মত সাংগঠনিক ক্ষমতা ও রাজনৈতিক সামাজিক নেতৃত্বের দক্ষতা আমাদের আছে কিনা,একথা ভেবে দেখলে বোধ হয আমরা আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে বারতের নাগরিক হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারব।


মনে রাখা দরকার,পান্জাবে কোনো উদ্বাস্তু সমস্যা আর নেই।কিন্ত বাংলাদেশে এখনো আমাদের স্বজন,রক্তমাংসের অংশ দু কোটি উনচল্লিশ লক্ষ মানুষের বসবাস এবং উগ্র ইসলামী সন্ত্রাসিরা তাঁদের বিরুদ্ধে লাগাতার অবাধ হত্যালীলা,অবাধ ধর্ষণ,অবাধ বেদখলী অভিযান চালেয়ে যাচ্ছে।বাংলাদেশ সরকার তাঁদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ এবং অদুর ভবিষ্যতে তাঁরা এপারে চলে আসতে বাধ্য হবেন।


এই যদি পরিস্থিতি হয়,তাহলে নাগরিকত্ব আইন আবার বদল হতে থাকবে।যথাসম্ভব তাডা়তাড়ি সব উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্বের ব্যবস্থা করার দায়িত্ব একতাবদ্ধ সংযত দক্ষ উদ্বাস্তু সংগঠনকেই নিতে হবে।


ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা যেমন বাংলাদেশে বিপর্যস্ত তেমনিই বারা বার রাজনৈতিক কারণে একিটবড় সড় মুসলিম জনসংখ্যাও ভারতে লাগাতার আসতে বাধ্য হয়েছে এবং হচ্ছে।1971 হিন্দুদের সঙগে বিপুল সংখ্যায়  মুসলমান উদ্বাস্তুরা ভারতে এসেছিলেন।


প্রতিবার রাজনৈতিক প্রক্ষাপট বদল হলে বাংলাদেশ থেকে হিংন্দু মুসলিম  জাতি ধর্ম নির্বিশেষ মানুষ আসতে বাধ্য হচ্ছেন।পৃথীবীব্যাপী শরণার্থী সমস্যার সঙ্গে সন্ত্রাস সমস্যাও ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে গিয়েছে।


বাস্তবের নিরিখে আমাদের বূঝতেই হবে যে বাংলাদেশে যতদিন না মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হচ্ছে দু কোটি হিন্দু ছাড়াও বহু শরণার্থীদের ভারতে প্রবেশের সম্ভাবনা থাকছে এবং এখন কেন্দ্র সরকার উদ্বাস্তুদের পক্ষে আইন প্রণযন করলেও ভবিষ্যতে ক্ষমতা বদল হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে আগত উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব ও পুনর্বাসন নিয়ে আবার নূতন আইন হতে পারে,পুরোনো আইন বাতিল হতে পারে।


নাগরিকত্ব আন্দোলন ছাড়াও শুধু ভারতে আগত উদ্বা্স্তুরাই নন,সমস্ত বাঙালিকে এবং সমস্ত ভারতবাসীকে ভারতবর্,ও পশ্চিম বহ্ঘের নিরাপত্তার স্বার্থে সন্ত্রাস কবলিত বাংলাদেশের মানুষের পক্ষে দাঁড়াতেই হবে।


যাদের দেশ কাল পরিস্থিতি সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই,যারা সবাইকে এক সঙ্গে নিয়ে চলতে পারেন না বা যাদের সাংগঠনিক সংহতির বিবেক নেই,যাদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও পালাবদলের মোকাবিলা করার দক্ষতা নেই,সুযোগ সন্ধানী সেই নেতৃত্ব অত্যন্ত আত্মঘাতী এবং আমরা যদি একতাবদ্ধ,সংগঠিত না হই,নাগরিকত্বের রাস্তা খোলা হলেও আমাদের নাগরিত্ব হচ্ছেনা ,যেমন 2003 সালের আগে হয়নি।হলেও সে নাগরিকত্ব যখন তখন আবার খারিজ হতে পারে।যদি না আমরা এক্ষনি একতাবদ্ধ না হই।


--
Pl see my blogs;


Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!