Sustain Humanity


Wednesday, October 19, 2016

ব্রাহ্মণ্যবাদ ও রেড রোডের কার্নিভাল অনিক শর্মা কাশ্যপ


ব্রাহ্মণ্যবাদ ও রেড রোডের কার্নিভাল
অনিক শর্মা কাশ্যপ

সদ্য সমাপ্ত হল বাঙ্গালীর শ্রেষ্ঠ উত্সব দুর্গাপূজা ! যেখানে বাংলার এলিট থেকে মধ্যবৃত্ত ; পথচারী থেকে দীন ভিখারী প্রত্যেকটি মানুষই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবেই এই উত্সবের রঙ্গে নিজেকে কিছুটা হলেও রাঙ্গিয়েছে . কারণ এই পূজা বর্তমানে অন্য মাত্রা ধারণ করেছে . যা এতো দিন পর সাধারণ বারোয়ারি প্যান্ডেল থেকে সটান করে রাজ ভবনে উপস্থিত হয়েছে . যার প্রভাব ভারতবর্ষ ছাড়িয়ে সমগ্র বিশ্বের দরবারে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে . এতো দিন ভারতের সব চেয়ে বড় গণ উত্সব ছিল মহারাষ্ট্রের গণপতি উত্সব , যার শোভাযাত্রা বা রোড কার্নিভাল ছিল ভারতবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষা . কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ এবার সেখানে একটা দাগ এঁকে দিয়ে যোগ করেছে রেড রোডের দুর্গা কার্নিভাল . যার সর্বাগ্রে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকার তথা মাননীয়া মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি . 
কিন্তু হঠাত্ করে এই দুর্গা কার্ণিভালের আয়োজন কেন ? কেউ কি একবার ভাবার চেষ্টা করেছেন ? 
অনেকে হয়তো বলবেন এটা , "এটা রাজনীতি , জনগণকে আকৃষ্ট করার কৌশল" . আমি বলবো বন্ধু , "না" . ব্রাহ্মণ্যবাদ বোঝা এতো সহজ নয় . শুধু মাত্র রাজনৈতিক উদ্দ্যেশ্য সফল করার জন্য এই দুর্গা কার্ণিভালের আয়োজন করা হয়নি . এর পেছনে অনেক বড় উদ্দ্যেশ্য আছে .
আপনারা হয়তো বিভিন্ন খবরের কাগজে দেখে থাকবেন . এবছর কি হারে "অসুর স্মরণ উত্সব" বা "হুদুর দুর্গা স্মরণ উত্সব" পালিত হয়েছে . যা পুরুলিয়া বাঁকুড়ার আদিবাসী পরগণা ছাড়িয়ে নদীয়া 24 পরগণা মালদহ মুর্শিদাবাদ তথা সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের সভ্য সমাজও গ্রহণ করেছে . পরিসংখান বলছে , এবছর পশ্চিমবঙ্গে 900 থেকে 1000 জায়গায় এই "অসুর স্মরণ উত্সব" পালিত হয়েছে . যা দেখে তো আমাদের মাননীয়া মূখ্যমন্ত্রীর চক্ষু চড়কগাছ . সুতরাং ব্রাহ্মণ্যবাদকে টিকিয়ে রাখতে হলে এর বিপরীত কিছু মিরাক্কেল ঘটাতেই হবে . তাই তড়িঘড়ি করে আয়োজন করলেন "রেড রোডে দুর্গার কার্নিভাল . যাতে খুব সহজেই বস করা গেল ধর্মীয় আবেগ প্রবণ বাঙ্গালী সমাজকে . 
এটাই হল সূক্ষ্ম ব্রাহ্মণ্যবাদ ! কবে বুঝবেন আপনারা ? ? ?

--
Pl see my blogs;


Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!